fbpx

Author: Ashik Sarwar

ঘুরে দেখি ঐতিহাসিক মুজিবনগর: মানচিত্র পর্ব

এগিয়ে যাচ্ছি আমরা মূল কমপ্লেক্সের দিকে। কমপ্লেক্স সংলগ্ন খোলা চত্ত্বরে লুকিয়ে আছে উপমা। ঐতিহাসিক ছয় দফা যেন পথিকের কাছে জানিয়েছে পথের ধূলো মেখে ইতিহাসের দাবি। গোলাপের সুবাসে সে যেন বাতাসে শুনিয়ে যায় ইতিহাসের আহ্বান, ছয়টি গোলাপ বাগান আর আমাদের অধিকার…

ঘুরে দেখি ঐতিহাসিক মুজিবনগর: স্মৃতিসৌধ পর্ব

অটো করে আবার ফিরে এলাম মেহেরপুর শহরে। মুজিব নগর যাবার উদ্দেশে এবার বাসে উঠলাম। বাস চলছে ধিমা তালে। দখিণা হাওয়ায় কি ভাসে মুজিব নগরের ইতিহাস। বাঙালির অস্তিত্ব রক্ষার সূচনায় মেহেরপুরের ভূমিকা ছিল অপরিসীম। আর এই মেহেরপুরের ছোট্ট একটি শহর মুজিবনগর।…

আমঝুপি নীলকুঠির গল্প

বাস চলছে মেহেরপুরের পথে। পিছে সাঁইজির শহর ফেলে ছুটছি নতুন গন্তব্যে। এসেছিলাম এ শহরে প্রথম ২০১৭ সালে। উত্তর থেকে দক্ষিণের এক দীর্ঘ যাত্রা পার করে সেবার এসেছিলাম মেহেরপুর। রাজশাহী থেকে কুষ্টিয়া হয়ে মেহেরপুরের সেই যাত্রা আজও মস্তিষ্কের ধূসর কোষে জমা…

লালন সাঁইজির দেশে: লালন শাহর বসতবাড়ি

দিন শেষে ক্লান্ত এ দেহ চায় একটু প্রশান্তি। সেই শান্তির খোঁজেই মিলপাড়া থেকে হেঁটে হেঁটে চলে এলাম লালনের বসতবাড়ি। শেষ বিকালের মন খারাপি আকাশ মেঘ লুকোচুরি দিনের সুবাস দিয়ে রাতের আমানিশায় ডুবে যেতে প্রস্তুত হচ্ছে। দিনের আলো হয়তো আর পাওয়া…

লালন সাঁইজির দেশে: মোহিনী মিল

হেঁটে যাচ্ছি মিলপাড়ার রাস্তা ধরে। পাড় হলাম রবি ঠাকুরের প্রিয় পাত্র যজ্ঞেশ্বরের ইঞ্জিনিয়ারিং ভবনটি। আর একটি সামনে এগিয়ে শুরু হল মোহিনী মিলের রাজ্য। বিশাল এক এরিয়া নিয়ে মোহিনী মিলের অবস্থান। প্রথমে দেখতে পেলাম একটা ছোট্ট হলুদাভ দ্বিতল ভবন। স্থাপনার বয়স…

ভ্রমণের প্রজাপতি: দুই বাংলার ভ্রমণকথা ১

সাময়িক নাগরিক যন্ত্রণা থেকে মুক্তির শ্রেষ্ঠতম উপায় হচ্ছে ভ্রমণ। প্রতিটা ভ্রমণ যেন জ্বলজ্যান্ত স্মৃতি। যে স্মৃতি বটিকা হিসাবে কাজ করে সামনের পথ চলার। সেই স্মৃতি অনেক আড্ডার আসরে গল্প হয়ে ঘুরে ফিরে। কিন্তু সেই গল্প কে শব্দের রুপ দেবার সার্থকতা…

লালন সাঁইজির দেশে: টেগর লজ

জগতি স্টেশন থেকে হেঁটে হেঁটে যাচ্ছি মিলপাড়ার উদ্দেশে। এখন কোন তাড়া নেই। বিকাল শুরু হবার আগেই কেটে গেছে মন খারাপি মেঘ। এবার সূর্য প্রতাপের সাথে মধ্য গগণে উঠেছে। এই মিলপাড়ায় অবস্থিত টেগর লজ, মোহিনী মিলস। যেতে যেতে পথে না হয়…

লালন সাঁইজির দেশে: জগতি স্টেশন

রবীন্দ্র কুঠি বাড়ির পর্ব শেষে আমাদের অটো আবার ধেয়ে যাচ্ছে মজমপুর মোড়ে। চিড়চিড়ে রোদ পড়েছে ধরণির বুকে, বেপরোয়া মেঘগুলো এখনও সূর্য কে ঢাকতে নতুন করে আয়োজন করছে। এর মধ্যেই চলছে আমাদের যাত্রা। চো চো ক্ষুধা পেটে নিয়ে আবার হাজির হলাম…

লালন সাঁইজির দেশে: রবীন্দ্র কুঠি বাড়ি

জমিদারি পরিচালনা সূত্রে এসে রবি ঠাকুর এই শিলাইদহের মাটি, বাউলিয়ানা ও লালনের আধ্যাত্মিকতায় মিশে গিয়েছিলেন ওতপ্রোত ভাবে। তাই তো এই মাটির গন্ধে মিশে আছে রবি ঠাকুরের স্মৃতি। বিশ্বকবির জীবনে লালন সাঁইজির ছিল বিশেষ প্রভাব। তিনি যখন প্রথম এই শিলাইদহে আসেন…

লালন সাঁইজির দেশে: কুঠিবাড়ির পথে

দাঁড়িয়ে আছি আমরা মজমপুর মোড়ে। রবীন্দ্র কুঠি বাড়ি যাবার জন্য দাম দস্তুর শুরু করলাম। আকাশচুম্বি ভাড়া শুনে মেজাজটা খিচড়ে ছিল। রবার্ট ব্রুসের মত ধৈর্য্য ধরে বসে আছি। তার ফলও পেলাম হাতেনাতে। রবীন্দ্র কুঠিবাড়ি যাবার জন্য ব্যাটারি অটো গাড়ি পেয়ে গেলাম।…

Back to top