পাহাড়ে সবকিছুই অতিরিক্ত: কেওক্রাডং

ভোরে উঠে আমরা কয়েকজন একটু হেঁটে আসলাম। বগালেকের সৌন্দর্য সকালের সূর্যের আলোতে যেন প্রাণ ফিরে পেয়েছে! স্বচ্ছ নিথর পানি, চারপাশে পাহাড়ের ছায়া, ছোট ছোট মাছ, ফুটে থাকা শাপলা… এক ভিন্ন জগতে নিয়ে যায়। বুঝলাম, বগালেক একেক বেলায় একেক রূপে হাজির হয়। কিছুক্ষণ কল্পনার রাজ্যে বিচরণ করে ফিরে গেলাম কটেজে। সকালের নাস্তায় খিচুড়ি-ডিম খেয়ে সবাই ব্যাগ-প্যাক বেঁধে তৈরি। দূর্ভাগ্যবশত তুহিন আপু-ভাইয়া বগালেক থেকেই বিদায় নিলেন। যানজটের কারণে আমাদের দুইদিনের ট্যুর তিনদিন করা হয়েছিল। ওনাদের পক্ষে ছুটি নেয়া সম্ভব হয় নাই। 

বগালেকে আমরা। ছবি: ইমরান ভাই

তেহজীব বান্দরবান পৌঁছানোর পর থেকে একই প্রশ্ন করে যাচ্ছে, ‘পাহাড় কই? আমি না পাহাড়ে যাবো?’ ওকে ওর মাপের একটা বাঁশ কেটে হাতে দেয়া হলো। আমরা সবাই বাঁশ নিয়ে নিলাম। সকাল তখন পৌনে নয়টা, আমরা হাঁটা শুরু করলাম। সাথে গাইড জিরাম। একদল অভিযাত্রী, কোনরকম কোন পূর্ব অভিজ্ঞতা ছাড়াই, একসময় বাংলাদেশের সর্বোচ্চ চূড়া বলে খ্যাত ‘কেওক্রাডং’য়ের বুকে পা ফেলার স্বপ্ন নিয়ে হাঁটতে লাগলাম।

যাত্রা শুরু। ছবি: ইমরান ভাই
পাহাড়ি রাস্তা। ছবি: ইমরান ভাই
ট্রেইলে আমাদের গ্রুপ ছবি: জিরাম দাদা

তেহজীব আর মুশতাককে নিয়ে আমি খুব ভয়ে ছিলাম। মেয়ে হাঁটতে পারবে? মুশতাক এতোটা পথ কিভাবে কোলে করে নিবে? আরো কতো দুশ্চিন্তা! কিন্তু আমাদের মেয়ে সবাইকে অবাক করে সেইরকম শারীরিক দক্ষতা আর মানসিক শক্তির পরিচয় দিল। প্রায় ৮০% পথ সে একা হেঁটে উঠেছে। আর কিছুটা বাবার ঘাড়ে চড়ে গিয়েছে। পাহাড়ে ওঠার পথে আরো যারা ট্যুরিষ্ট ছিলেন, কেউ নামছিলেন, কেউ উঠছিলেন, সবার এক চিন্তা–বাচ্চাটা পারবে?

দ্য লিটল ট্র‍্যাকার। ছবি: ইমরান ভাই
বাবার ঘাড়ে চড়েও মজা! ছবি: ইমরান ভাই
পথে এক গ্রুপের সাথে দেখা। ছবি: ইমরান ভাই

পাহাড়ে ওঠার এক পর্যায়ে উঁচু একটা জায়গায় একটা গ্রুপ বসে বিশ্রাম করছিল। তেজু যখন বাঁশ হাতে খাড়া পথটা উঠলো, সবাই একসাথে হাততালি দিয়ে ওকে অভিবাদন জানালো। দৃশ্যটা এতো সুন্দর ছিল! আর আমার কথা যদি বলি, আমি উঁচুতে উঠতে গেলে দ্রুত হাঁপিয়ে উঠি। কিন্তু সেই সময়, সেই মুহূর্তে নিজেকে যাচাই করে নেয়ার তাগিদ ছিল, আমাকে তো উঠতেই হতো। নিজের প্রতি আত্মবিশ্বাস এতোই বেড়েছে যে এখন আরো অনেক পাহাড়-পর্বত পাড়ি দেয়ার অপেক্ষায় আছি!

ফাঁকে বিশ্রাম আর ছবি তোলা। ছবি: শান্তি বর্মণ
সুযোগ পেলেই স্মৃতি ধরে রাখা। ছবি: লেখক
একটু দুষ্টামীও করতে হয়। ছবি: লেখক

কেওক্রাডং যাওয়ার পথে চিংড়ি ঝর্ণা দেখা যায়। ঝর্ণার কাছে আমি চুপচাপ একটা পাথরে বসে ছিলাম। বাকিরা ঝর্ণায় যেয়ে গা ভিজিয়ে আসলো। কাছে থেকে ঝর্ণাটা অনেক সুন্দর, ঝিলমিল করে! পাথর আর ঠাণ্ডা পানি মিলেমিশে ঝকঝকে দেখা যায়। সেখানেও বসে পাকা পেঁপে খেলো সবাই।

ঝর্ণার পথে। ছবি: ইমরান ভাই
চিংড়ি ঝর্ণায় গ্রুপ ছবি: তেহজীব

কিছু সময় এখানে কাটিয়ে আমরা আবার হাঁটা শুরু করলাম। বেলা প্রায় সাড়ে বারোটা, আমরা যেয়ে পৌঁছালাম দার্জিলিং পাড়ায়। চমৎকার সাজানো গোছানো পরিচ্ছন্ন একটা পাড়া। খুবই ভালো লাগছিল। ট্র‍্যাকিংয়ের ক্লান্তি পাড়াটা ঘুরে দেখায় ব্যাঘাত ঘটাতে পারেনি। সুন্দর একটা ছোট্ট গীর্জাও ছিল পাড়ায়। সেখানে এক দোকানে বসে আদা চা খেলাম সবাই মন ভরে। চা টা খুবই ভাল ছিল। পাহাড়ি আদাগুলো এতো ঝাঁঝ হয়! চা খেয়ে একেবারে চাঙা হয়ে গেলাম।

দার্জিলিং পাড়ায় তেহজীব। ছবি: লেখক
দার্জিলিং পাড়ার দোকান। ছবি: লেখক
আহা সেই চা টা! ছবি: লেখক

তরিকুল ভাই দেখলাম কলা পাতায় মোড়ানো কি একটা খাবার অর্ডার করলেন। দেখি লাল লাল ভাতের মতো, উপরে একটু গুড়, আর মনে হয় নারকেল মাখানো ছিল। জিজ্ঞেস করে জানা গেল এর নাম ‘থাও বুহ’। লাউয়ের খোলে রান্না করতে হয়। চুলায় করলে বুহ মানে ভাতটা বেশি থাও অর্থাৎ আঠা বা নরম হয়ে যায়। এরপর শুরু হলো আমাদের কথায় কথায় ‘থাও’ বলা। থাও মানে বেশি, থাও মানে অতিরিক্ত। এই ‘অতিরিক্ত’ শব্দটা যে আমরা এতো অতিরিক্ত বলছি এই দুইদিনে! 

থাও বুহ! ছবি: লেখক

দার্জিলিং পাড়া থেকে বের হয়ে আবার আমরা হাঁটতে লাগলাম। আর বেশি বাকি নেই লক্ষ্যে পৌঁছানোর। অনেকে দেখছিলাম চান্দের গাড়িতে যাচ্ছেন। এই পাহাড়ি সরু, আঁকাবাঁকা রাস্তায় গাড়িতে যাওয়া…! আমার মনে হচ্ছিলো, জীবন বাজি রেখে যাচ্ছে ওরা। আর তেহজীব বলছিল, ‘মানুষ গাড়িতে যায় কেন? হেঁটেই তো মজা!’ শেষ পথটুকু অনেক খাড়া। তাতে কি! যেতে যেতে আমরা মাঝে একটু থামছিলাম। পাহাড় দেখছিলাম, গর্ব আর আনন্দ অনুভব করছিলাম। এখানের পাহাড়গুলো আমাদেরই। একান্তই আমাদের। কি তার বিশালতা! পাহাড়ের ভাঁজে ভাঁজে অদ্ভুত এক রহস্য লুকিয়ে থাকে! বুক ভরে শ্বাস নিয়ে আবার পথ চলা শুরু করলাম। একটা সময় কাঙ্ক্ষিত চূড়া দৃষ্টিগোচর হচ্ছিলো আর আমাদের উত্তেজনা বাড়ছিল।

বুনো সৌন্দর্য। ছবি: ইমরান ভাই
রহস্যে ঘেরা পাহাড়। ছবি: লেখক
পাহাড়টা আমারই! ছবি: ইমরান ভাই
পাহাড়ের চূড়ায় কটেজ। ছবি: ইমরান ভাই

ভুল তথ্য জানার কারণে কেওক্রাডং একসময় বাংলাদেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ ছিল। এখন এর অবস্থান পঞ্চমে। উচ্চতায় ৩,১৭২ ফুট। কেওক্রাডং শব্দটি মারমা ভাষা থেকে এসেছে। মারমা ভাষায় কেও মানে ‘পাথর’, কাড়া মানে ‘পাহাড়’ আর এবং ডং মানে ‘সবচেয়ে উঁচু’। অর্থাৎ কেওক্রাডং মানে সবচেয়ে উঁচু পাথরের পাহাড়। লালা বম বলেছিলেন, ‘কেওক্রাড’য়ের ভাব অনুবাদ হচ্ছে, পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে চিৎকার করা। আমরা চূড়ায় পৌঁছালাম। এতোটাই বিমোহিত আর আনন্দিত ছিলাম যে চিৎকার করার কথা মনেই হয়নি। আমি ভাবছিলাম, আমি পেরেছি সত্যি! আর আমার ছোট্ট মেয়েটা… ততোক্ষণে ওর নাম হয়ে গিয়েছে ‘ইন্সপিরেশন’, অনুপ্রেরণা!

বিজয়োল্লাস। ছবি: মোস্তাক হোসেন
কেওক্রাডং জয়! ছবি: ইমরান ভাই
টিজিবি পরিবার। ছবি: জিরাম দাদা

পাহাড়ে কোন মোবাইল নেই, নেটওয়ার্ক নেই। জাগতিক সবকিছু থেকে বিচ্ছিন্ন আমরা। সম্বল শুধু মুখোমুখি বসে কথা বলা, একে অপরকে দেখা পাশাপাশি বসে। মুশতাক পরে বলেছে, পাহাড়ে যাওয়ার পর জীবনের প্রতি, সম্পর্কের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি ওর বদলে গিয়েছে।

পাহাড় মানেই ভালোবাসা। ছবি: শান্তি বর্মণ
লালা বমের কটেজ। ছবি” লেখক

কেওক্রাডং আর্মি ক্যাম্পে নাম এন্ট্রি করে পাহাড়ের কোলে একটা কটেজে উঠলাম আমরা। দুপুরে খেয়ে এসে সবাই শুয়ে পড়লো। এদিকে হলো কি, ফ্রেশ পাহাড়ি পেঁপে খেয়ে ইমন ভাইয়ের পেটে অতিরিক্ত সমস্যা হয়ে গেল। ইমন ভাই আর সৈকত এই ট্যুরে যারপরনাই প্যারা সহ্য করেছে সবার। কোন কুক্ষণে ইমন ভাই যেয়ে সৈকতের খোঁজখবর করছিল। আর ব্যস! সবাই ওদের দোস্তানা নিয়ে মজা শুরু করলো। শেষ পর্যন্ত এমন হলো, এরা পঁচানি খাওয়ার ভয়ে কথাই বলে না। এই ট্যুরে সবার কিছু না কিছু স্ক্যান্ডাল হয়েছে। কারো নরমাল, কারো হরমোনাল! বিকালে উঠে সূর্যাস্ত দেখতে হেলিপ্যাডে গেলাম আমরা। গোধুলির মিষ্টি নরম আলোতে কাশফুলগুলো কি সুন্দর রঙ হয়ে যায়! এতো ভালো লাগছিল!

গোধুলীর কাশফুল। ছবি: লেখক
সূর্যাস্তকাল। ছবি: ইমন ভাই
আগুনরঙা মেঘের খেলা। ছবি: ইমন ভাই

কিন্তু প্রচণ্ড ঠাণ্ডায় টেকা দায়। ফিরে এলাম কটেজে। বারান্দায় বসে গোধুলী লগ্নের আকাশে মেঘের খেলা দেখে কাটালাম কিছু সময়। রাতের খাবার পর্ব চুকিয়ে ফেললাম তাড়াতাড়িই। পাহাড়ে রাত একটু দ্রুতই নামে। ঘরে ফিরে সবাই কম্বলের নিচে। কেওক্রাডংয়ে যে সময়ই যান না কেন, রাতে ঠাণ্ডা লাগবেই! আমরা কিন্তু তখনই ঘুমিয়ে যাইনি।

কটেজের জানালার ফাঁকে। ছবি: ইমরান ভাই
এক টুকরো আকাশ। ছবি: ইমরান ভাই

হোস্ট ইমরান ভাই ঘোষণা করলেন, সবাই মিলে আড্ডা হবে, গান হবে। এক এক করে সবাই অনেক কথা বললো, কেউ গান গাইলো, কেউ কবিতা শোনালো। ইমন ভাইয়ের কন্ঠে ‘আমার একলা আকাশ’ অসাধারণ ছিল। গানটা শুনলে এখনো ভাইয়ার কথাই মনে হয়। তরিকুল ভাইয়ের আবৃত্তি বহুদিন মনে থাকবে। আর ইমরান ভাইয়ের কথা কি বলবো! মন্দিরা হাতে যখন ‘কাঞ্চনজঙ্ঘা’ গানটা ধরলেন, ওনার চেহারার দরদটা আমি শুধু দেখছিলাম। লাজুক রাসেল ভাইয়ের শেষ পর্যন্ত গাওয়া গানটা ভালো ছিল। শান্তি আর আয়শার কণ্ঠ কি বলবো! করল্লার মতো মিষ্টি! করল্লার সাথে তুলনা দেয়াটা আমাদের দুষ্টু গ্রুপের আরেকটা মিষ্টি সংলাপ ছিল। সৈকত যখন ছড়া শোনাচ্ছিল, মনে হচ্ছিলো সামনে ওর ছেলেটা বসে আছে। আমার বুড়ির গান মানে এত্তোগুলা ভালোবাসা। আর মুশতাক যখন আমার পছন্দের গানটা গাইলো, মনে হয়েছে পুরানো দিনে ফিরে গিয়েছি। কতোবারো ভেবেছিনু আপনা ভুলিয়া… তোমারও চরণে দিবো হৃদয়ও খুলিয়া… সেই রাতের গল্প-কবিতা-গান আমাদের এই ১০ জন মানুষকে অনেক কাছে নিয়ে এসেছিল।

গয়াল। ছবি: লেখক

পরদিন খুব ভোরে উঠে গেলাম। কটেজ থেকে বের হয়ে হাতমুখ ধুতে যাবো, এমন সময় দেখি সামনে কি যেন একটা বিশাল প্রাণী। জানলাম, এর নাম গয়াল, বন্যগরুর একরকম প্রজাতি। ফ্রেশ হয়ে আমরা সূর্যোদয় দেখতে গেলাম আবার হেলিপ্যাডে। কেওক্রাডংয়ের সূর্যটা খুব দ্রুতই উঠে গেল মনে হলো। আমরা এরপর লালা বমের সাথে গ্রুপ ছবি তুললাম।

পাহাড়ে নতুন সূর্য। ছবি: লেখক
লালা বমের সাথে গ্রুপ ছবি: জিরাম দাদা

সকালের নাস্তা সেরে এবার পাহাড় থেকে নামার পালা। আমার মনে হয়েছে, নামার চেয়ে পাহাড়ে ওঠা সহজ। ওঠার সময় নিজের উপর নিয়ন্ত্রণ রাখা যায়। কিন্তু খাড়া নামার সময় সেটা সম্ভব হয় না। ফেরার পথে আমরা আবার দার্জিলিং পাড়ায় থেমে চা খেয়ে নিলাম। নামতে আমাদের সময় কম লেগেছে। এটাই স্বাভাবিক। তেজু প্রায় পুরো পথটাই একা নেমেছে। মেয়ে আমার আস্ত একটা পাহাড় জয় করে ফিরেছে!

ফেরার পথে দার্জিলিং পাড়ায়। ছবি: জিরাম দাদা

আমরা বগালেকে গোসল সেরে নিলাম। লেকের ঠাণ্ডা পানিতে পা ডুবিয়ে যখন দাঁড়িয়ে ছিলাম, ছোট মাছগুলো এসে পায়ে ‘ফিস স্পা’ দিচ্ছিলো। আঙুলের ফাঁকে এসে হালকা ঠোকর দিচ্ছিলো। খুব মজা পেয়েছি। আমরা খাওয়া সেরে ফেরার জন্য তৈরি হলাম। শুনলাম চান্দের গাড়ি লেক পর্যন্ত আসতে পারবে না। আমাদের একটা ভীষণ সরু পথ বেয়ে অনেকটা সময় হেঁটে চান্দের গাড়ির কাছে যেতে হলো। সবচেয়ে কঠিন ট্র‍্যাকিং আমার কাছে এটাই মনে হয়েছিল। পথটা অদ্ভুতরকম খাড়া ছিল।

পাহাড় থেকে ফিরে বগালেক পাড়ায়। ছবি: ইমরান ভাই

তারপর রওনা করলাম। বান্দরবান থেকে রাস্তা হচ্ছে বগালেক, এবং পরে কেওক্রাডং পর্যন্ত হবে। নির্মাণ কাজের জন্য রাস্তায় প্রচণ্ড ধুলা। জমিয়ে গান গাইতে গাইতে আমরা যখন বান্দরবান পৌঁছাই, শরীরে মনে হয় কয়েক কেজি ধুলা! এখন কিন্তু এই রাস্তাটা হয়ে গিয়েছে। চান্দের গাড়িতে আরামে চলাচল করতে পারেন পর্যটকেরা। যাওয়ার সময় আমরা যেসব জায়গায় এন্ট্রি করেছিলাম, ফেরার পথে সেখান থেকে এক্সিট নিতে হয়েছে। এতো স্বাক্ষর মনে হয় জীবনেও করি নাই!

সময়মতো আবার ফিরতি পথ ধরলাম। ফেরার পথেও কুমিল্লায় জ্যামে আটকে ছিলাম। যদিও বিরক্তি, রাগ সবকিছু ছাপিয়ে মন খারাপ লাগছিল। চমৎকার সঙ্গ আর সময়গুলোকে পেছনে ফেলে যেতে কারই বা ভালো লাগে! 

ভিডিওতে দেখতে পারেন আমাদের কেওক্রাডং অভিযানের গল্প এই লিংকে ক্লিক করে:
https://youtu.be/qdNussy0YIM

আমরা গিয়েছিলাম ট্যুর গ্রুপ বিডির সাথে, তাদের সাথে যোগাযোগের বিস্তারিত নিচে দেয়া হলো:
https://www.facebook.com/groups/TourgroupBd
ফোন নম্বর: ০১৮৪০-২৩৮৯৪৬ 

আমার পুরানো ভ্রমণ কাহিনীগুলো পড়তে চাইলে ক্লিক করতে পারেন নিচের লিংকে:
https://www.vromonguru.com/author/azmi/

বি:দ্র: ঘুরতে গেলে আমরা জায়গা নোংরা করি না। যেখানে সেখানে ময়লা আবর্জনা ফেলি না। দেশটা আমাদের। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখাও আমাদেরই দায়িত্ব।

ফিচার ছবি: ইমরান ভাই

ভিডিও কৃতজ্ঞতা: ইমন ভাই

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top