in ,

আলীকদমে আলীর খোঁজে: তুক-অ-দামতুয়া

পরদিন খুব ভোরেই উঠে পড়লাম। আজকের প্ল্যান হচ্ছে, দামতুয়া ঝর্ণা ঘুরে ডিম পাহাড় দেখে সন্ধ্যার বাসে বাড়ির পথে রওনা দেয়া। যতো সহজে বললাম ব্যাপারটা আসলে এতো সহজ না। দামতুয়া যেতে আসতে ঘণ্টা পাঁচেক সময় লাগবে। কাজেই আমাদের ছয়টার মধ্যেই বের হতে হলো। পানবাজারের সেই হোটেলে চা-নাস্তা খেয়ে আমরা চান্দের গাড়িতে উঠে বসলাম। আজকে আর অটোতে চলবে না। আমাদের ১৭ কিলোমিটার দূরত্বে যেতে হবে। তাই চান্দের গাড়ি ঠিক করা হয়েছে সারাদিনের জন্য। ভাড়া ছিল ৪০০০ টাকা। এক গাড়িতে আমরা ১৮ জন মানুষ। উপর-নিচ মিলিয়ে চেপেচুপে এডজাস্ট করে নিলাম সবাই। চান্দের গাড়িতে দেখলাম এভাবে চিপকে বসাটাই সুবিধাজনক। ঝাঁকি কম লাগে। 

চান্দের গাড়ির যাত্রীরা। ছবি: রাসেল ভাই

দামতুয়া যাওয়ার জন্য আলীকদম-থানচি নতুন রাস্তা ধরে ১৭ কিলোমিটার দূরের আদুপাড়ায় যেতে হয়। এই ঝর্ণার পুরো নাম হচ্ছে, তুক অ দামতুয়া। এই ঝর্ণাটির ডান দিকের অংশের পানির উৎস হল ব্যাঙ ঝিরি। মুরং অধ্যুষিত এলাকায় অবস্থিত এই ঝর্ণা। মুরং ভাষায় ব্যাঙকে ‘তুক’ বলে আর ঝিরিকে ‘অ’ বলে। আর দামতুয়া অর্থ হচ্ছে খাড়া। ভাবানুবাদ হলো, এই ঝর্ণার খাড়া আকৃতির জন্য এর দেয়াল বেয়ে উপরে ব্যাঙ বা মাছ উঠতে পারেনা, তাই অধিবাসীরা একে ‘তুক অ দামতুয়া’ নামে ডাকে। আর এখানে দুই দিক থেকে পানি পড়ার কারনে ঝর্ণাসহ সামনের জলাশয়ে চাঁদের আলোতে অন্য রকম এক সৌন্দর্য তৈরি হয়। তাই একে স্থানীয় মুরং ভাষায় ‘লামোনই’ ঝর্ণাও বলে। লামো অর্থ চাঁদ এবং নই অর্থ আলো। এটা জেনে চাঁদের আলোতে দামতুয়া থাকার একটা ক্ষীণ আশা জেগেছে মনে।  

তুক-অ-দামতুয়া। ছবি: লেখক

চান্দের গাড়ি তার স্বভাবসিদ্ধ গতিতে উড়ে যাচ্ছিলো আমাদের নিয়ে। অদ্ভুত সুন্দর এই পাহাড়ি রাস্তার চারপাশের সৌন্দর্য দেখে শেষ করা যাবে না। কোথাও ঘন হয়ে আছে গাছপালা। কোথাও হয়তো হঠাৎ তীব্র রোদের মাঝেও ঠাণ্ডায় কেঁপে উঠছি। মনে হলো মেঘ এসে ছুঁয়ে দিচ্ছে। দূরে কোথাও চোখে পড়ছে পাহাড়ি ঘরগুলো। একটু একটু করে উঁচুতে উঠছি আর পেছনে ফেলে আসা রাস্তাটা, পাহাড়টা মন ভরে দেখছি।

ফেলে আসা পথ। ছবি: হৃদয় ভাই
সূর্যের তেজ মাথার উপর। ছবি: রাসেল ভাই

এভাবে ১০ কিলো যাওয়ার পর গাড়ি ব্রেক কষলো। দামতুয়া যাওয়ার পথে এই একটাই আর্মি ক্যাম্প। আমাদের ক্যাম্পে এন্ট্রি করতে হবে। এদিকে তেহজীবের দুশ্চিন্তার শেষ নেই। ঝর্ণার পানিতে খেলার জন্য ঢাকা থেকে একটা ওয়াটার গান নিয়ে গিয়েছিল তার ট্র্যাভেল ব্যাগে। সবাই বলছে, আর্মি চাচ্চুরা নাকি সেটা রেখে দিবে। ব্যাগ চেক করানোর জন্য সে নিজেও দাঁড়ালো লাইনে। কিন্তু ওয়াটার গানটা নিয়ে ওরা কিছু বললো না দেখে তেহজীবের মুখে হাসি ফুটে উঠলো। আমরা ক্যাম্পের পাশেই এক চাচার থেকে দুই কাঁদি কলা কিনে গাড়িতে বেঁধে দিলাম। সেখানেই সবাই ভুট্টা সিদ্ধ খেলাম। তারপর আবার গাড়িতে উঠে বসলাম। 

কলার কাঁদি। ছবি: লেখক
ভুট্টা খাই। ছবি: লেখক

আগের রাতে ক্যাম্পিং করা হয়নি। একটু গানবাজনা হবে সেই উপায়ও ছিল না। আমাদের গানের পাখিদের গানের স্টক তাই চান্দের গাড়িতেই খোলা হলো। তেহজীব, পলাশ ভাই একের পর এক গান শোনাচ্ছিলেন। এভাবে গানে গানে একসময় পৌঁছে গেলাম আদুপাড়ায়। সবাই যার যার সুবিধামতো ট্র‍্যাকিংয়ের বিশ্বস্ত সঙ্গী বাঁশ নিয়ে নিলেন। আমাদের গাইড ফারুক ভাই ছাড়াও আদুপাড়া থেকে এক পাহাড়ি গাইডও নেয়া হলো। বাচ্চা একটা ছেলে, নাম পাসিত। ছোট হলে হবে কি, খুবই দায়িত্বশীল। আমরা বসলে সেও এক জায়গায় দাঁড়িয়ে থাকে। সামনে এগিয়ে যায় না, যদি আমরা হারিয়ে যাই!  

আদুপাড়ায়, বাঁশ নিতে হয় এখান থেকে। ছবি: লেখক

একে একে সবাই প্রস্তুত হয়ে হাঁটা শুরু করলাম। আমাদের মধ্যে এক ভাই কিছুদূর যেয়ে আর পারলেন না। উনি আগের দিন পায়ে ব্যথা পেয়েছিলেন। তাই বাধ্য হলেন ফিরে যেতে। বাকিরা আমরা রওনা হলাম। হাঁটার পথে গল্পে গল্পে জানা গেল, দলে আমার দেশি দুই ভাই আছেন, যাদের বাড়িও ফেনী। হাঁটছি আর আশেপাশে চোখ বুলাচ্ছি। কিছুদূর উপরে উঠতে হয়। আবার নিচে নামতে হয়। এভাবে ঘণ্টা খানেক গেল। খুব একটা ক্লান্ত লাগছিল না। চড়াই-উৎরাই পথগুলো খারাপ লাগে না। গরম ছিল, অনেক রোদ ছিল। আবার হালকা বাতাসও ছিল। এক জায়গায় দাঁড়িয়ে অনেক দূরে দেখা যায় কালো পাথুরে পাহাড়ের গা বেয়ে ঝর্ণার পানি গড়িয়ে পড়ছে নিচে। ফারুক ভাই বললেন, ‘এর নাম দেয়াল ঝর্ণা।’ ভালোমতো লক্ষ্য করে মনে হলো, সত্যিই ঝর্ণাটা যে পাহাড়ের গায়ে, সেটা দেয়ালের মতোই লাগে দেখতে।

জঙ্গলের ভেতর পথ চলা। ছবি: লেখক
ধাপে ধাপে ওঠা। ছবি: লেখক
রোদে জ্বলছে সবুজ প্রকৃতি। ছবি: লেখক
পাহাড়ি পথ। ছবি: লেখক
দেয়াল ঝর্ণা। ছবি: লেখক

প্রায় ঘণ্টা দেড়েক যাওয়ার পর চমৎকার একটা ঝিরি পেয়ে নেমে গেলাম সবাই। আর ঝিরির চারপাশটা দেখতে অসাধারণ। পাসিত বললো, অর্ধেক পথ আসছেন মাত্র। এতোক্ষণ গরমে হাঁটার পর এই কথা শুনে মেজাজ একটু খারাপ হচ্ছিলো বটে। তবে ঝিরির হিমশীতল পানিতে সেটা ঠাণ্ডা হয়ে গেল। আবার কিছুদূর যাওয়ার পর শুরু হলো পুরো ঝিরিপথ। সুন্দর সুন্দর সব ঝিরি! একেকটা একেক রকম। আর আমরা সবগুলোতেই গা ভেজালাম, হাত-পা ঠাণ্ডা করলাম। মাথায়, মুখে পানির ঝাপটা দিলাম। দামতুয়া যাওয়ার এই ট্রেইলে ঝিরির অংশ অনেকখানি। আমি শুধু মন্ত্রমুগ্ধ হচ্ছিলাম।

গরমের আরাম এখানেই। ছবি: রাসেল ভাই
আহ, ঝিরিপথ! ছবি: লেখক
এতো এতো ছবি তুলেও মন ভরে না। ছবি: লেখক
ঝিরিতে ভেজার আনন্দ। ছবি: লেখক

এভাবে বেশ খানিকক্ষণ পর আমরা একটা পাড়ায় পৌঁছাই। নাম হচ্ছে পামিয়া মেম্বার পাড়া। আমাদের ক্যাম্পিং সাইট হিসেবে এই পাড়াও একটা অপশন ছিল। কিন্তু বিশেষ কারণবশত আমরা আর এখানে আসিনি। পাড়ার বাচ্চাগুলো আমাদের যাওয়ার পথে সুর করে বাইইই, বাইইই বলছিল। কি যে মায়া পাহাড়ি বাচ্চাগুলো! 

মেম্বার পাড়া। ছবি: লেখক

দামতুয়ার ট্রেইলেও আমরা পেয়ারা, আর কমলা পেয়েছি। আর অনেক লম্বা, বাইরেটা খয়েরী রঙের আখ দেখেছি। সবাই খেয়ে নিলো বসে পাহাড়ি কলা, পেয়ারা, আখ। শক্তির দরকার হবে, কারণ এরপর হচ্ছে খাড়া একটা পাহাড়ি পথ। এই পাহাড় উঠে আবার নামলেই দামতুয়া ঝর্ণার দেখা মিলবে। শুরু করলাম হাঁটা। সারাদিন বৃষ্টি হলেও হয়তো কষ্ট কম হতো। রোদে শরীর একেবারে নিস্তেজ হয়ে যাচ্ছিলো। পাহাড়টা উঠতে তাই একটু বিশ্রাম নিচ্ছিলাম। একসময় শেষ হলো পাহাড়ে ওঠা।

পথে বিশ্রাম। ছবি: লেখক
পাহাড়ি আখ। ছবি: লেখক

পাহাড়ের মাথায় একটা পাড়ায় মিনিট পাঁচেক বসলাম। এখান থেকে এখন নিচে নামবো। পাসিত বললো, আর বেশিদূর নেই। এই কথা শুনে নবউদ্যমে শুরু করলাম যাত্রা। অর্ধেক পথ নামতেই কানে আসলো পানির গর্জন। গাছপালার ফাঁকে উঁকি দিয়ে দেখি দারুণ সুন্দর প্রাকৃতিক সিঁড়ির ধাপ গড়িয়ে পড়ছে শুভ্র সাদা পানির স্রোত। বুঝলাম, ব্যাঙ ঝিরি চলে এসেছি। ব্যাঙ ঝিরিই সম্ভবত দামতুয়ার আপার স্ট্রিম। আর ঝিরি থেকেই কিন্তু ঝর্ণার নামকরণ হয়। ব্যাঙ ঝিরিতে চাইলে শুয়েও পড়া যায়। বড়ই সৌন্দর্য! 

জঙ্গল থেকে দেখা ব্যাঙ ঝিরি। ছবি: লেখক
ব্যাঙ ঝিরি। ছবি: মাহিম ভাই

আবার নামতে লাগলাম। কিছুদূর যাওয়ার পরই উপর থেকেই দেখতে পেলাম কাঙ্ক্ষিত দামতুয়ার উত্তাল রূপ। তড়িঘড়ি নেমে পড়লাম বড় বোল্ডারগুলো টপকে। কাঁধের ব্যাগগুলো কোনরকমে নামিয়ে রেখে চোখ বুলিয়ে নিলাম চারপাশে। আহ দামতুয়া! এতোদিন শুধু ছবিতেই দেখে আসছি। দুই পাশ থেকে পড়ে ঝর্ণার পানি। প্রায় ৯০/১০০ ফুট হবে উচ্চতা। আর ডানপাশের যেটা মূল ঝর্ণা, সেটা আমার কাছে বিলাইছড়ির ন-কাটা ঝর্ণার মতো লাগছিল। পুরো পাথুরে পাহাড়টা জুড়ে পড়ছিল পানি।

দামতুয়ার একাংশ। ছবি: হৃদয় ভাই
অবাক তাকিয়ে ঝর্ণার পানে। ছবি: লেখক

বামের যে ঝর্ণাটা, সেটা চিকন স্রোতে পড়ে, কিন্তু পানি ঠাণ্ডা। মাঝখানে সৃষ্ট জলাশয়ের গভীরতা ভেতর দিকে একটু বেশি। আমাদের মাঝে কেউ সাঁতার কাটছে, কেউ উপরে উঠে লাফ দিচ্ছে। এভাবে এক ঘণ্টা পার হয়ে গেল। পাসিত তাড়া দিলো সবাইকে। ফিরতে হবে। বিকাল পাঁচটার মধ্যে সেই দশ কিলো আর্মি ক্যাম্পে রিপোর্ট করতে হবে। ঝর্ণাকে বিদায় দিয়ে ফেরা খুবই কষ্টকর। 

দামতুয়ার বামের অংশ। ছবি: রাসেল ভাই

ফেরার পথে ট্রেইলে ভালোই লাগছিল। রোদ পড়ে যাচ্ছে। আকাশটা মেঘলা হয়ে আসছে। আরাম লাগছিল। আমরা পৌঁছে গেলাম আদুপাড়ায়। সবাই বাঁশ জমা দিয়ে দিল। আমাদেরটা সাথে নিয়ে নিলাম। তেহজীবের ট্র‍্যাকিংয়ের চৌদ্দ নম্বর বাঁশ এটা। পাসিতকে বিদায় দিয়ে আবার গাড়িতে উঠলাম। এখানে আমাদের গাইডের খরচ নিয়ে একটু ধারণা দিয়ে ফেলি। ফারুক ভাই, আমাদের মূল গাউড, দুইদিনে নিয়েছিলেন ২০০০ টাকা। আর পাসিত আদুপাড়া থেকে দামতুয়া যাওয়া-আসায় নিয়েছিল ১০০০ টাকা। আমাদের পুরো ট্যুরে জনপ্রতি খরচ ছিল মোটামুটি ৩০০০ টাকা। 

গাইড পাসিত। ছবি: হৃদয় ভাই

চান্দের গাড়ি আমাদের ডিম পাহাড়ে নিয়ে গেল। পাহাড়ের চূড়ার আকৃতি ডিমের মত হওয়ার কারণেই নাকি এমন নাম। সেখানে কিছুক্ষণ বসলাম, ছবি তুললাম। শেষ বিকেলে মেঘ জমতে শুরু করেছে পাহাড়ের গায়ে। তাই ছবি যেটাই তুলি, ঘোলা দেখা যায়।

ডিম পাহাড় থেকে দেখা মেঘলা সৌন্দর্য। ছবি: লেখক

ডিম পাহাড় নিয়ে গুগল করলে সুন্দর একটা মিথ পাওয়া যায়। ত্রিপুরা সম্প্রদায় বিশ্বাস করেন, এই পাহাড়ে থাকে এক দানব। প্রতি পূর্ণিমায় পাহাড়ের চূড়ায় ফোটে অপূর্ব একটি ফুল, যা কিনা সকালেই ঝরে যায়। সেই ফুল পাহারা দেয়াই দানবের কাজ। কেউ যদি পাহাড়ে ওঠে, দানব তাকে মেরে ফেলে। তাই এই পাহাড়ে উঠতে গিয়ে ফিরে আসেনি কেউ কোনদিন।

ঐ দূরে যে চূড়া, সেটাই ডিম পাহাড়। ছবি: লেখক
এই ছাউনিতে বসে বিশ্রাম নেয়া যায়। ছবি: লেখক

পাহাড়ি সেই ফুলের অনেক গুণ। ফুলের রস খেয়ে সুস্থ হয় মুমূর্ষু রোগী। একদিন উশে নামক এক ছেলের মা খুব অসুস্থ হয়ে পড়লো। প্রাণপ্রিয় মাকে বাঁচাতে উশে উঠে গেল পাহাড়ের চূড়ায় ফুল আনতে। ফুল নিতে পেরেছিল ঠিকই। কিন্তু পাহাড় থেকে ছুঁড়ে দিয়েছিল বন্ধু থুইয়ের দিকে। নিজে আর নেমে আসেনি। মা সুস্থ হয়ে ওঠেন ফুলের রস খেয়ে, কিন্তু উশে চিরদিনের মতো হারিয়ে যায় ডিম পাহাড়ে। এই পাহাড়ের বুক চিরে বানানো বাংলাদেশের highest motorable road, এখন পর্যটকদের কাছে আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু।

ডিম পাহাড়ের রাস্তা। ছবি: লেখক

আমাদের যেতে হবে আলীকদম। গাড়ি ছুটে চললো পাহাড়ি পথ ধরে। সন্ধ্যার পরপর পৌঁছে গেলাম টার্মিনালে। হোটেলে ঢুকে খাবার অর্ডার করলাম। এই হোটেলে এক চাচা আছেন, ঝড়ের গতিতে ছোটাছুটি করেন। ‘একাই একশ’ চাচা আমাদেরকে খুবই যত্ন করে খাওয়ালেন।

বাইরে তখন ঝুম বৃষ্টি। আমরা বাসের অপেক্ষায়। বৃষ্টিস্নাত আলীকদম আমাদের বিদায় দিল চমৎকার কিছু স্মৃতির সাথে।

ভিডিওচিত্রে আমাদের দামতুয়া অভিযান দেখতে ক্লিক করুন এই লিংকেঃ  

 https://youtu.be/pTFYxmU-6I0

বিঃদ্রঃ ঘুরতে যেয়ে জায়গা নোংরা না করি। নিজের দেশ পরিচ্ছন্ন রাখি।

আমার পুরানো ভ্রমণ কাহিনীগুলো পড়তে চাইলে ক্লিক করুন নিচের লিংকে:
https:// www.vromonguru.com/author/azmi/

ফিচার ছবি: ইমাম ভাই

ভিডিও কৃতজ্ঞতা: নীল ভাই

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনের ভ্রমণের খুঁটিনাটি

আলীকদমে আলীর খোঁজে: আলীর সুড়ঙ্গ