এই আর্টিকেলটি নতুন নিয়মগুলো সহ আপডেট করা হয়েছে। নতুন আর্টিকেল এই লিংকে।
ভারতের ভিসা করাটা অনেকেই খুবই জটিল মনে করেন। বিষয়টা আসলে কিন্তু তা নয়, বরং নিয়মানুযায়ী আবেদন করলে আপনি সহজেই ভিসা পেয়ে যেতে পারেন। প্রতিদিন প্রায় ১৫,০০০ মানুষকে ভিসা দেয় ভারত। বাংলাদেশ থেকে প্রতি বছর অন্তত ১৫-২০ লক্ষ মানুষ ভারতে ঘুরতে যায়, যা ভারতে আগত পর্যটকের ২০ ভাগ। তাছাড়া কম খরচে ঘোরাঘুরি করার জন্য শুধু বাংলাদেশে নয় সারা বিশ্বেই ভারত একটি গুরুত্বপূর্ণ গন্তব্য।
ভিসার আবেদনের প্রথম ধাপটি হচ্ছে অনলাইনে ভিসার আবেদন পত্রটি পূরণ করা। এ কাজটি সঠিকভাবে করতে পারলে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ ভিসার আবেদনপত্র নিকটস্থ আইভ্যাক সেন্টারে জমা দিলে মোটামুটি এক মাসের মধ্যেই আপনি ভিসা পেয়ে যাবেন। আমি চেষ্টা করবো এই পোস্টে একটি পরিপূর্ণ ধারণা দেবার জন্য, কিভাবে, কত টাকা খরচ করে, আপনি ভারতের ভিসার আবেদনের কাজটি শেষ করবেন।
প্রথম ধাপ: অনলাইনে ভারতের ভিসার আবেদন পত্র পূরণ:
ভারতীয় ভিসার প্রথম ধাপ হচ্ছে অনলাইনে ভিসার জন্য আবেদন পত্রটি জমা দেয়া। এ কাজটি যখন করবেন হাতে সময় নিয়ে মনোযোগ সহকারে করবেন, যাতে আবেদন পত্রে কোন ধরণের ভুল না থাকে। বেশির ভাগ ভিসার আবেদনপত্রেই প্রত্যাখান হয় আবেদন পত্রটি ঠিকভাবে পূরণ করতে না পারার কারণে। অনেকে আবার দোকান থেকে বা অন্য কাউকে দিয়ে ফরমটি পূরণ করান, এতে ভুল সম্ভাবনা আরও বেশি থাকে। ভালো হয় আপনি আপনার আবেদন পত্রটি নিজে নিজে পূরণ করলে।
আবেদনপত্র পূরণ করার সময় আপনার কাছে কয়েকটি জিনিস প্রস্তুত থাকা লাগবে। এগুলো হাতের কাছে না থাকলে আবেদন পত্র সেইভ করে রেখে পরে এগুলো নিয়ে আবার বসতে হবে। এগুলো হচ্ছে:
১. পাসপোর্ট (অন্তত ৬ মাস মেয়াদ বাকি থাকতে হবে)
২. ছবির সফট কপি (একই ছবি ২ বাই ২ ইঞ্চি সাইজ আবেদন পত্রের সাথে জমা দিতে হবে)
৩. ভারতের কোন একটি হোটেলের ঠিকানা ও ফোন নাম্বার
আবেদন পত্রটি সঠিকভাবে পূরণ করতে আপনার প্রায় এক ঘণ্টা সময় লাগতে পারে। তাই সেভাবে প্রস্তুতি নিয়ে বসবেন। এই লিংকে যেয়ে আবেদন পত্রটি পূরণ করবেন। যে সমস্ত তথ্যাদি চাইবে সেগুলো সঠিকভাবে পূরণ করবেন। যেমন, পুরো নাম, পিতা/মাতার নাম, বর্তমান-স্থায়ী ঠিকানা, অফিস/শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তথ্য এসব। কিভাবে আবেদনপত্রটি পূরণ করতে হবে সেটি এই লিংক থেকে দেখে নিতে পারেন।
ভারতে আপনার গন্তব্য অনুসারে কোন পোর্ট দিয়ে যাবেন সেটা নির্বাচন করবেন। বর্তমানে ভারত সবগুলো স্থল বন্দর, আকাশ পথ ও রেলপথের ভিসা দিচ্ছে। উল্লেখযোগ্য পোর্টগুলো হচ্ছে: ১. হরিদাশপুর (বাংলাদেশ অংশে বেনাপোল) ২. ডাউকি (বাংলাদেশ অংশে তামাবিল), ৩. চেংড়াবান্দা (বাংলাদেশ অংশে বুড়িমারী) ৪. বাই ট্রেন গেদে (বাংলাদেশ অংশে দর্শনা) ৫. ফুলবাড়ী (বাংলাদেশ অংশে বাংলাবান্দা) ৬. বাই ট্রেন নিউ জলপাইগুড়ি।
অনলাইন আবেদনপত্র পূরণে সাধারণত একটি জায়গায় এসে মানুষ সমস্যায় পরে সেটা হচ্ছে রেফারেন্স কি দেবেন। বাংলাদেশর রেফারেন্স দিবেন এমন কারো নাম ও ফোন নাম্বার যে আপনার সাথে ভারত যাওয়ার সম্ভাবনা কম, এতে করে ভারতে আপনি কোন সমস্যায় পড়লে আপনার বাসায় যোগাযোগ করা সম্ভব হবে। আর ভারতের রেফারেন্স হিসেবে দিবেন যে হোটেলে থাকতে চাচ্ছেন তার নাম, ঠিকানা ও ফোন নাম্বার। এছাড়া একেবারে শেষের দিকে ভারতের কোন জায়গায় কোন হোটেলে থাকবেন সে তথ্যও যোগ করতে হয়।
এছাড়া আপনার পিতা/মাতা, দাদা-দাদীর নাগরিকত্ব কি ছিলো, এই প্রশ্নের উত্তরে লিখবেন বাংলাদেশ। আবেদন পত্রটি সফলভাবে সাবমিট করতে পারলে আপনি সেটা প্রিন্ট নিবেন। আবেনদপত্রের নির্ধারিত দুটি স্থানে (ছবির নিচে ও শেষ পৃষ্ঠায়) স্বাক্ষর করবেন। আপনার স্বাক্ষরটি পাসপোর্টে দেয়া আপনার স্বাক্ষরের অনুরূপ হতে হবে। আবেদন পত্র প্রিন্ট হয়ে গেলে একটি ২ বাই ২ ইঞ্চি সাইজের ছবি আঠা দিয়ে লাগাবেন, এরপর ভিসার প্রসেসিং ফি জমা দিবেন।
২য় ধাপ: ভিসার প্রসেসিং ফি জমা দেয়া:
আগে ভিসা ফি আইভ্যাকে জমা দেয়া লাগতো, এখন সেটাও অনলাইন করা হয়েছে। এতে একটা সুবিধা হয়েছে আইভ্যাকে আপনার আর সময় নষ্ট হবেনা। ভিসার প্রসেসিং ফি ৮০০ টাকা। এর সাথে বিকাশ বা ব্যাংক চার্জ যুক্ত হয়ে ৮২৪ টাকার মতো খরচ হতে পারে। সাধারণত সব আইভ্যাকে বা এর আশেপাশে আপনি ভিসা প্রসেসিং ফি জমা দিতে পারবেন। তবে ভালো হয় এই সাইটে গিয়ে নিজের ক্রেডিট/ডেভিড কার্ড বা বিকাশের মাধ্যমে জমা দিতে পারেন। এই ভিডিওটিতে দেখতে পারেন কিভাবে নিজের ভিসা প্রসেসিং ফি নিজেই দিবেন।
৩য় ধাপ: প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত করা:
এ অংশটিতেই আসলে মূল ঝামেলা। ভারতের ভিসার জন্য বেশ কিছু কাগজপত্র দিতে হবে, সেগুলো ঠিক থাকলে আপনার ভিসা না পাওয়ার কোন কারণ নেই। আসুন দেখি আবেদনপত্রের সাথে কি কি দিবেন:
১. পাসপোর্ট। অন্তত ৬ মাসের মেয়াদ বাকি থাকবে হবে এবং কমপক্ষে দুটো পৃষ্ঠা খালি থাকতে হবে। পাসপোর্টের যে দুটো পৃষ্ঠায় আপনার তথ্যাদি আছে সেগুলোর ফটোকপি দিবেন (পৃষ্ঠা ৩ ও ৪)। পুরণো যতগুলো পাসপোর্ট আছে সেগুলোও অবশ্যই সঙ্গে দিবেন।
২. সদ্য তোলা ২x২ রঙিন ছবি দিতে হবে। ছবিতে পুরো মুখোমণ্ডল দেখা যেতে হবে এবং ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড সাদা হতে হবে। সদ্য তোলা বলতে তিন মাসের মধ্যে তোলা ছবিকে বুঝায়। ছবি অবশ্যই ল্যাব প্রিন্ট হতে হবে।
৩. বর্তমান ঠিকানার স্বপক্ষে একটি প্রমাণপত্র দিতে হবে। কোন ইউটিলিটি বিলের ফটোকপি হলে হবে। যেমন বিদ্যুৎ, ল্যান্ডফোন, পানি বা গ্যাসের বিল। মনে রাখবেন বিলে আপনার ঠিকানা যেভাবে আছে ঠিক সেভাবেই ভিসার আবেদনপত্রে দিবেন।
৪. পেশার প্রমাণ পত্র। চাকুরজীবি হলে অফিস থেকে একটা সনদ দিবেন যেটাতে লেখা থাকবে আপনি কোন অফিসে কি চাকুরী করেন এবং ভারত ভ্রমণে অফিসের কোন আপত্তি নাই। আর ছাত্র হলে স্টুডেন্ট আইডি কার্ডের ফটোকপি দিবেন। অবসরপ্রাপ্ত হলে সর্বশেষ চাকুরী রিজইন লেটার/সম্পন্ন করার সনদ দিবেন।
৫. আর্থিক স্বচ্ছলতার প্রমাণ দেখাতে হবে। এক্ষেত্রে আপনার পাসপোর্টে ব্যাংক থেকে ১৫০ ডলার এনডোর্স করা থাকবে। এছাড়া ব্যাংক স্টেটমেন্ট যেখানে সর্বশেষ ব্যালেন্স ২০,০০০ টাকা আছে, দিলে হবে। আর যদি আপনার ক্রেডিট কার্ড এনডোর্স করা থাকে সেক্ষেত্রে পাসপোর্টের যে পৃষ্ঠায় ক্রেডিট কার্ড এনডোর্স করা আছে সে পৃষ্ঠার ফটোকপি ও ক্রেডিট কার্ডের উভয় পিঠের ফটোকপি দিলে চলবে।
৬. জাতীয় পরিচয়পত্রের উভয় পিঠের ফটোকপি। যদি আপনার জাতীয় পরিচয় পত্র না থাকে তবে জন্ম নিবন্ধনের ফটোকপি দিবেন। মনে রাখবেন আপনার পাসপোর্টের তথ্যের সাথে জাতীয় পরিচয়পত্র/জন্ম নিবন্ধনের তথ্যের মিল থাকতে হবে।
কাগজগুলো কিভাবে সিরিয়ালি সাজাবেন সেটা এই ছবি থেকে দেখে নিতে পারেন। এভাবে সাজিয়ে নিয়ে আপনি নিকটস্থ আইভ্যাকে চলে যাবেন।

শেষ ধাপ: আবেদনপত্র জমা ও পাসপোর্ট সংগ্রহ করা:
আগের কাজগুলো করতে পারলে এখনকার কাজটা খুবই সহজ। আপনার এলাকার জন্য নির্ধারিত আইভ্যাকে যেয়ে সিরিয়াল নিবেন। কাগজপত্র আইভ্যাকের কর্মকর্তারা দেখে আপনাকে একটা টোকেন দিয়ে পাসপোর্ট জমা কাগজপত্র সহ জমা রেখে দিবে। টোকেনে উল্লেখিত দিনে যেয়ে আপনি আপনার পাসপোর্ট ফেরত নিয়ে আসবেন। মনে রাখবেন পাসপোর্ট জমা নেয় সকাল ৯ টা থেকে দুপুর ১২: ৩০ পর্যন্ত (যমুনা ফিউচার পার্কে ১:০০ পর্যন্ত নেয়)।
আর পাসপোর্ট সংগ্রহ করতে যাবেন বিকাল তিনটা থেকে পাঁচটার মধ্যে। যদি পাসপোর্ট আপনার অন্য কোন কাজের জন্য প্রয়োজন থাকে, সেক্ষেত্রে আবেদন পত্র জমা দেবার সময় পাসপোর্ট ফেরত নিয়ে আসতে পারবেন। ভিসা টোকেনে উল্লেখিত ডেলিভারির তারিখের সাতদিন পূর্বে আবার পাসপোর্ট নিয়ে আসতে পারবেন। চাইলে ভিসা ফি প্রদানের সময় অনলাইনে আপনার কাংখিত ”টাইম স্লট” বাছাই করে সে সময়ে আবেদন পত্র জমা দিয়ে আসতে পারবেন।
বর্তমানে আবেদন করলে পরিবারের সবাইকে যেতে হয় বায়োমেট্রিক ডাটা দেবার জন্য। তবে পাসপোর্ট সংগ্রহ করতে পারবেন যেকোন একজন। ভিসার আবেদন পত্র যে কাউন্টারে জমা দিবেন সে কাউন্টার থেকেই আপনাকে দেখিয়ে দেবে কোন কাউন্টারে বায়োমেট্রিক ডাটা নিবে। বাংলাদেশে মোট ১৫ টি আইভ্যাক আছে। এগুলো হচ্ছে ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা, কুষ্টিয়া, যশোর, রংপুর, কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, নোয়াখালী, সাতক্ষীরা, বরিশাল, বগুড়া, ময়মনসিংহ, রাজশাহী, ঠাকুরগাঁও ও সিলেটে। পুরো আর্টিকেল পড়েও যদি আপনার কোন সাহায্য দরকার পড়ে আপনি এই লেখার নিচের কমেন্ট করবেন, আমি উত্তর দিবো।
ভ্রমনগুরু your travel adviser
Hello dear.
Ami goto bochor visa niyechilam. But dui mash agr amar visar meyad sesh hoye jay er majhe ekbar o jawa hoyni. Ekhon ki notun kore visa abedon korle amk visa dibe. Ar er age o ekbar visa newa chilo tokhon ekbar giye chilam.. Ekhon kivabe ami new kore abedon korbo. Pls amk ektu janale onk upokrito hotam.
আপনার ভিসা কি ট্যুরিস্ট ভিসা? আপাতত আর ভিসার করার সুযোগ নেই। ভারতের ট্যুরিস্ট ভিসা চালু হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।
সাধারণভাবেই আবার আবেদন করতে পারেন। কোন সমস্যা নাই। ভিসা পাবেন।
ডলার কি ব্যাংক থেকেই এনডোর্স করতে হবে? মানি এক্সচেঞ্জ এরটা হবে কি?
মেডিক্যাল ভিসার ক্ষেত্রে এখানকার ডাক্তারের প্রেস্কিপশন/টেস্ট ডক দিলে হবে নাকি বাইরে চিকিৎসার রিকমেন্ডেশন ও লাগবে।
ব্যাংক মাস্ট, মানি এক্সচেঞ্জ থেকে করলে হবেনা। মেডিক্যাল ভিসার ব্যপারে আমার জ্ঞান নেই
ভেক্সিন ছাড়া কি টুরিস্ট ভিসা দিবে? বা ভেক্সিন এর সাথে টুরিস্ট ভিসার কোনো সম্পর্ক আছে?
এটা ক্লিয়ার করে বলে নাই এখনো। আমার মনে হয় ভিসা আবেদন করতে ও নিতে পারবেন, তবে যাওয়া সময় দেখাতে হবে ভ্যাক্সিনের প্রমাণ
মা-বাবার ব্যাংক স্টেটমেন্ট দিয়ে ভিসার আবেদন করতে হলে কিভাবে করতে হবে?
ব্যাংক স্টেটমেন্টের মূল কপি জমা দিবেন আবেদনের সাথে। আর এনআইডির ফটোকপি
ভিসার জন্য আবেদন করে, জমা দিয়ে ভিসা না পেলে, পরের বার ভিসা আবেদনের সময় কি অন্য কোন ভাবে আবেদন করতে হবে বা কিছু কি এড করে দিতে হবে?
নাকি আগের মতই পুরন করে দিলেই হবে?
আগের মতোই করবেন। তার আগে চেক করে দেখবেন এখানে বলা কোন ভুল হয়েছিলো কিনা: https://vromonguru.com/2022/08/15/resaosn-for-rejection-of-indian-visa/
আসসালামু আলাকুম ভাই আমিও আমার দুই ছেলে ভারতে ভ্রমন ঢভিসায় ঘুরতে যেতে চাই পশ্বিম বঙ্গে বাকুড়া জেলায় সে গেত্রে আমি যাদের বাড়িতে বেরাতেযাব ওর ঠিকানা ওফোন নাম্পার দিলে চলবে আর আমার এক ছেলর বয়স 11আর 9বছর ওদের ভিসার জন্য কি কি কাগজ পাতি লাগবে আর আমি কি 7দিনের জন্য যেতে পারবো ভিসা পাব 7দিনর একটু দয়াকরে বলবেন
যাদের বাসায় যাবেন তাদের ঠিকানা ও ফোন নাম্বার দিয়ে আবেদন করতে পারবেন। ছেলেদের পাসপোর্ট ও সকল কাগজপত্র একইরকম থাকবে, শুধু ব্যাংক একাউন্ট ছাড়া। ব্যাংক একাউন্ট আপনারটার ফটোকপি দিবেন ছেলেদের আবেদনের সাথে। অন্তত ৬০,০০০ টাকার বেশি রাখবেন একাউন্টে। ভিসা পেতে এখন প্রায় এক মাস লাগবে।
ভাই পাসপোর্ট এর মেয়াদ আছে সেপ্টেম্বর 17 তারিখ পযর্ন্ত এখন চিকিৎসা জন্য জরুরি যাওয়া দরকার আর পাসপোর্ট অফিস ও বন্ধ ভিসার জন্য আবেদন করলে কি ভিসা দিবে?
৬ মাসের কম মেয়াদ থাকলে ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন না। আগে পাসপোর্ট রিনিউ করেন।
আসসালামু আলাকুম ভাই আমিও আমার দুই ছেলে ভারতে ভ্রমন ঢভিসায় ঘুরতে যেতে চাই পশ্বিম বঙ্গে বাকুড়া জেলায় সে গেত্রে আমি যাদের বাড়িতে বেরাতেযাব ওর ঠিকানা ওফোন নাম্পার দিলে চলবে আর আমার এক ছেলর বয়স 11আর 9বছর ওদের ভিসার জন্য কি কি কাগজ পাতি লাগবে আর আমি কি 7দিনের জন্য যেতে পারবো ভিসা পাব 7দিনর একটু দয়াকরে বলবেন
১। আবেদনের ম্যাক্সিমাম/মিনিমাম কতদিন আগে এনডোর্স করতে হবে?
২। তিন মাসের পুরাতন ছবি কি একেবারেই রিজেক্ট করে দিবে? বুঝবে কীভাবে যে এটা ৩+ মাস আগের ছবি? 😉
১. ডলার এনডোর্সের হিসাবটা বাৎসরিক। আবেদনের আগে সেই বছরের মধ্যে করলেই হবে। আগেরদিন করলেও হবে। তবে আমি বলবো জমা দেবার সর্বোচ্চ এক সপ্তাহের আগে করবেন। ২. যদি আপনার পাসপোর্টে অন্য কোন ভিসা থাকে যেটাতে আগের ছবিটা থাকে, তাহলেই বুঝে ফেলবে পুরণো ছবি দিয়েছেন। আমি এমনও দেখেছি এক বছর আগে ভিসায় যে ছবি সেটা দিয়েই আবেদন করতে যেয়ে রিজেক্টেড হয়েছে।
আমার যে ভোটার আইডির নাম্বার বিয়ে পাসপোর্ট করেছি সেই ভোটার আইডি হারিয়ে গিয়েছে। নির্বাচন কমিশনে আবেদন করে নতুন ভোটার আইডি পেয়েছি কিন্তু সেটাতে নতুন একটা আইডি নাম্বার দিয়েছে। এখন আমি কোন নাম্বার ব্যাবহার করবো?
ফটোকপি থাকলে আগেরটা ব্যবহার করেন
১. হোটেল ও বিমানের টিকেট দিতে হবে কিনা
২. যাতায়েত করার জন্য কোন পথ দিব বিমান নাকি বাইরোড
৩. কোন বন্দর ভাল হবে বরিশাল বিভাগের জন্য
১. লাগবেনা
২. বিমান/হরিদাসপুর/ট্রেন ছাড়া অন্য একটা দেন। যেমন: আগরতলা
ভাইয়া,
(বিমান/হরিদাসপুর/ বাংলাবান্ধা) যদি দেই তাহলে হবে ? আমি সিকিম যাবো শিলিগুড়ি হয়ে।
শুধু বাংলাবান্ধা সিলেক্ট করলেই হবে (ভারতের ফুলবাড়ী)
আমার পাসপোর্ট ২০১৮ সালে জন্ম নিবন্ধন সনদ দিয়ে তৈরি করা এখন আমি এনআইডি কার্ড পেয়েছি ২০২০ সালে।
১. এনআইডি কার্ড জমা দিতে হবে নাকি জন্ম নিবন্ধন দিতে
হবে ?
২. দুইবার ইন্ডিয়ান টুরিস্ট ভিসার জন্য আবেদন করেছিলাম কিন্তু ভিসা আমাকে দেয় নি।
!?
এখন কি করলে ভিসা পাওয়া জাবে জদি একটু বলতেন। উপকৃত হতাম। ধন্যবাদ
এনাআইডি কার্ড যেহেতু হয়েছে সেহেতু এনআইডি দিয়ে আবেদন করতে পারেন। না দেওয়ার কারণ বের করা কঠিন, কোন ডকুমেন্ট ভুল থাকতে পারে
আমি একাই ইন্ডিয়া যেতে চাচ্ছি।আমার ব্যাংক একাউন্ট নেই। ভিসার জন্য আমার পিতার ব্যাংক স্টেটমেন্ট দিলে কি হবে? আর আমার পেশা কৃষক। সেক্ষেত্রে আমার পেশাগত কি প্রমানপত্র দিবো।বাড়ির জমির কাগজ আমার বাবার নামে আছে।সেক্ষেত্রে কি করবো?
ব্যাংক একাউন্ট না থাকলে ২০০ ডলার এনডোর্স করে নেন সব ঝামেলা কমে যাবে
আমার ইউটিলিটি বিলের কাগজ নেই,আমার বাবার নামে করা,এখন কিভাবে আমি ইউটিলিটি বিলের কাগজ দিব।অন্য কোন উপায়?
বাবার নামে হলেও কোন সমস্যা নেই।
ভাইয়া, আমার পাসপোর্টের বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা আমার বাড়িতে। কিন্তু আমি বর্তমানে ঢাকায় অবস্থান করছি পড়াশোনার জন্য। আমি কি ঢাকার ঠিকানা ব্যবহার করতে পারবো, আর ঢাকায় আবেদন জমা দিতে পারবো কিনা। ঢাকার ঠিকানার ইউটিলিটি বিল আছে আমার।
বর্তমান ঠিকানার স্বপক্ষে ইউটিলিটি বিল দিতে পারলে পারবেন করতে ঢাকা থেকেই
আমার টুরিস্ট ভিসা ছিলো ২০১৯ এর জুলাই – ২০২০ জুলাই। মেয়াদ গতবছর জুলাইয়ে শেষ হয়ে গেছে। ২০২০ সালের এপ্রিল এ যাওয়ার প্লান ছিলো। ১৭ই মার্চ থেকে লকডাউন এর কারনে আর যেতে পারলাম না। ভিসা নেয়ার পর একবারও ভারত যাওয়া হলোনা। এখন কি নতুন করে ভিসা পেতে পারি?
না গেলেও কোন সমস্যা না। একটা সাদা কাগজে না যাওয়ার কারণ যোগ করে ভিসা দিতে অনুরোধ করতে পারেন (না দিলেও হয়)
আমার পেশা আমি আর্টিস্ট দিয়েছি। টুকটাক টিভি মিডিয়াতে কাজ করি। এক্ষেত্রে পেশাগত তথ্য কি দিব?
Ami jante chai je
Amar passport a permanent address ar Amar electric bill er address a kichu parthokkho ache
পার্মানেন্ট এড্রেসের ইলেকট্রিসিটি বিল লাগবেনা। বিলের এড্রেসকে বর্তমান ঠিকানা দেখিয়ে আবেদন করুন
Utility bill hishebe tax er bill dile hobe?
ba purano kono bill dile cholbe?
পুরণো বিল (তিন মাসের মধ্যে হতে হবে)। না হলে পুরণো বিল ও বর্তমান প্রিপেইড কার্ডের ফটোকপি দিবেন
Vai biometric bpr ta buji ni.family sobai k jaua lgbe mne?
আগে পরিবারের একজন বাকি সবার ভিসার আবেদন জমা দিতে পারতো। এখন ১২ বছরের সবাইকে ভিসা সেন্টারে উপস্থিত হয়ে আবেদন পত্র জমা দিতে হবে। জমা দেবার পর হাতের দশ আংগুলের ছাপ নিবে।
আমার ব্যাংক একাউন্ট আছে কিন্তু সেটায় কখনো কোন ট্রাঞ্জেকশন করা হয়নি।। আমি চাকরি করছি গত দুই বছর যাবত কিন্তু অফিস থেকে ক্যাশের মাধ্যমে সেলারি নেই তাই ব্যাংক একাউন্টের প্রয়োজন হয়নি।। এখন ব্যাংক স্টেটমেন্ট এর পরিবর্তে কি শুধু ১৫০/২০০ ডলার এন্ড্রোসমেন্ট করলেই হবে? আর আমার একাউন্ট মার্কেন্টাইল ব্যাংকে আর তারা গত তিন মাস যাবত এন্ড্রোসমেন্ট করছে না তো অন্য ব্যাংক থেকে যেখানে আমার একাউন্ট নেই সেখানে কি এন্ড্রোসমেন্ট করতে পারবো?
এনডোর্স যে কোন ব্যাংক থেকে করলে হবে। অন্য ব্যাংক চার্জ বেশি নিতে পারে।
ভাই আমি আবেদন পত্রে মায়ের নামের একটি অক্ষর ভুল করেছি এখন কি কোন সমস্যা হবে। আর পেশাগত স্ট্যাটাস বেকার দেখিয়েছি যেহেতু অফিস থেকে এনওসি নেয়া ঝামেলা। একটু জানাবেন প্লিজ
মায়ের নাম সংশোধন করে আবার ফিলাপ করেন, এধরণের ভুলের কারণে ভিসা নাও হতে পারে। পেশাগত তথ্য না থাকলে অনেক সময় ভিসা দিতে চায়না। অফিস থেকে এনওসি না হোক ইনট্রুডাকশন লেটার হলেও জমা দেন
ভাই আজকে আবেদন করলাম, একটি ব্যাপারে শঙ্কা আমি বেকার (Un-Employed) দেখিয়েছি কিন্তু এমপ্লয়মেন্টের বক্সে রেড মার্ক (আবশ্যক) থাকায় আগের জবের বিবরণ দিয়েছি আর পূর্বের পেশার ঘরে অফসিয়াল দেখিয়েছি। যেহেতু আমার বর্তমান জবের কোন NOC নেয়া পসিবল না তাই Unemployed দেখিয়েছি এতে কি কোন সমস্যা হবে বা কোন কাগজ দেখাতে হবে একটু জানাবেন।
আগের চাকরির রিজাইন লেটার/এক্সপেরিয়েন্স সার্টিফিকেট দিবেন
ভাই আমার ভাই আগে সরকারি চাকুরি করত তখন ভারতে গিয়েছে govt Order নিয়ে। তার কখনো ভিসা নেয় নি। কিন্তু এখন সে কিছু দিন আগে অবসরে গিয়েছে। এখন ভারত যেতে চাচ্ছে। আমি জানতে চাছি ভিসা আবেদন করার সময় “আপনি কিন ভারত ভ্রমন করেছেন? করে থাকলে ভিসা নং দিন??” এখানে ভিসা নং আমি কি দিবো/লিখবো যেহেতু পূর্বে govt Order নিয়ে ভারত ভ্রমনে গিয়েছিলেন। দয়া করে আমাকে জানালে উপকৃত হবো।
“ক্রেডিট কার্ডের উভয় পিঠের ফটোকপি ” – eita deya onek risky na?
না, সিভিভি ও কয়েকটা ডিজিট মুছে দিবেন
আসসালামু আলাইকুম ভাই আমি জানতে চাচ্ছি 6 মাসের আগের পুরানো ব্যাংক স্টেটমেন্ট দিলে কি ভিসা পাবো। আজ ৬ মাসের আগের ব্যাংক স্টেটমেন্ট দিলে কি চলবে।??…
1.আসসালামু আলাইকুম ভাই আমি জানতে চাচ্ছি 6 মাসের আগের পুরানো ব্যাংক স্টেটমেন্ট দিলে কি ভিসা পাবো। আজ ৬ মাসের আগের ব্যাংক স্টেটমেন্ট দিলে কি চলবে।??
2. আমি মাদ্রাসায় পড়ালেখা করি আমি কি এখন মাদ্রাসার আইডি কার্ড দিলে আমার স্টুডেন্ট ডকুমেন্ট হবে। যদি মাদ্রাসার আইডি কার্ড না থাকে তাহলে কি দিতে হবে।
১. ৬ মাসের পুরণো স্টেটমেন্ট হবেনা, নতুন করে তুলেন। সর্বোচ্চ ১৫ দিন আগের হতে পারে
২. মাদ্রাসার প্রধান থেকে একটা পত্র নিবেন, এ মাদ্রাসার ছাত্র এ টাইপ
ভাইয়া, আমি একবার আবেদন করে ৩ মাসের সিঙ্গেল ভিষা পেয়ে ৫ দিন ঘুরে আসছি ইন্ডিয়াতে আজ দেড় মাস হলো,, ভিষার মেয়াদ আরও দেড় মাস আছে, আমি কি এখন আবেদন করতে পারবো.??
েএকটা আবেদন পত্র দিবেন সঙ্গে, আগের ভিসা সিংগেল এন্ট্রি ছিলো এবং ঘুরে এসেছেন এটা লিখে। আবেদন করুন